মেনু নির্বাচন করুন
দৃষ্টিদান (DRISHTIDAN)

     ১৯৯৪ সালের ৮ই জানুয়ারী একটি সামাজিক সংগঠন হিসেবে দৃষ্টিদান তার কার্যক্রম শুরম্ন করে। এর প্রধান কার্যালয় ও একমাত্র শাখা অফিসটি থানাপাড়া, বোদা-পঞ্চগড়ে অবস্থিত। দৃষ্টিদান এর সর্বোচ্চ পদটি ‘প্রধান নির্বাহী’ হিসেবে স্বীকৃত। সংস্থার

টেলিফোন-০২-০৫৬৫৩-৫৬২০৫,

মোবাইল - ০১১৯৫০১১১০২

ই-মেইল drishtidanboda@yahoo.com

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

শিক্ষা, ক্ষুদ্রঋণ ও বিভিন্ন সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষন সেবা সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী এর  উপকারভোগিরা পেয়ে থাকেন।

# দৃষ্টিদানের স্বপ্ন ঃ সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যয় বিচার ভিত্তিক সমাজ গড়া।

# প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটঃ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্য অত্র এলাকার কতিপয় সমাজসেবী ১৯৯৪ খ্রীষ্টাব্দে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক জনাব বিভুরঞ্জন সরকারকে কেন্দ্র করে ‘দৃষ্টিদান’ সংগঠন গড়ে তোলেন। প্রখ্যাত শিল্পী কাইয়ুম চৌধূরীর আঁকা বর্তমান থেকে ভবিষ্যতের দিকে প্রসারিত দৃষ্টি ‘স্কেচ’ সংগঠনের মনোগ্রাম।

# সংগঠনের ধরণঃ অলাভজনক, অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক স্বেচ্ছামুলক সংগঠন। 

# মূল্যবোধঃ সকল ক্ষত্রে সততা, স্বচ্ছতা, ন্যয্যতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করা।

# লক্ষ্যঃ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন।

 

# উদ্দেশ্যঃ

·        পশ্চাদপদ লোকালয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও চিকিৎসা সেবার সুযোগ সৃষ্টির জন্য কাজ করা।

·        অবহেলিত মানুষের দারিদ্র ও বেকারত্ব দূরীকরণে সঞ্চয় ও ঋণকার্যক্রম পরিচালনা করা।

·        যৌতুক, তালাক, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক আইন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে কাজ করা।

·        নারীর ক্ষমতায়ন, সু-শাসন ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করণ বিষয়ে কাজ করা।

·        প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কাজ করা।

·        আর্সেনিক, এইচআইভি/এইড্স এবং এসিড আক্রামত্মদের সচেতনতা, চিকিৎসা ও পুনঃর্বাসন বিষয়ে কাজ করা।

 

# বিশেষ ঘোষনাঃ দৃষ্টিদানের বিলুপ্তিতে দায়-দেনা পরিশোধের ক্ষত্রে সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

# তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাঃ  মনোরঞ্জন সরকার, প্রধান নির্বাহী, মোবাইল - ০১৭১৩৭৮০৫৭০

# চলমান কর্মসূচী ঃ  (১) ঋণ কর্মসূচী (পলস্নীক্ষুদ্রঋণ, মৌসুমী ঋণ ও গৃহায়ন ঋণ)।

                       (২) সঞ্চয় কর্মসূচী (নিয়মিত/সাধারণ সঞ্চয়)।

                       (৩) উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী (এনএফপিই)।

 

# ঋণ কার্যক্রমে সার্ভিস চার্জ নির্ণয়ের পদ্ধতি ও হার ঃ ক্রমহ্রাসমান ঋণস্থিতি (ডিক্ক্লাইন) পদ্ধতিতে ঋণের সার্ভিস চার্জ নির্ণয় করা হয়, যার বার্ষিক হার - পলস্নী ক্ষুদ্রঋণ ২৭%, মৌসুমী ঋণ ২৫% এবং গৃহায়ন ঋণ ৫%।

#  ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়াঃ ঋণ প্রসত্মাবের পক্ষ দলীয় সিদ্ধামেত্মর ভিত্তিতে সদস্যকে একজন জামিনদার মনোনীত করে উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র ও দলীয় সিদ্ধামেত্মর ফটোকপি সমেত ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে। মাঠ কর্মীর সুপারিশে শাখা ব্যবস্থাপক ঋণ প্রসত্মাবটি যাচাই পূর্বক মতামত সহ ঋণ কমিটি/প্রধান নির্বাহী বরাবর উপস্থাপন করবেন।

      ঋণ প্রস্তাবটি পর্যবেক্ষন ও পর্যালোচনা শেষে ঋণ কমিটি/প্রধান নির্বাহী ঋণ মঞ্জুরী অনুমোদন দিবেন। সে অনুযায়ী সদস্যকে ঋণ বিতরনের তারিখ জানানো হবে। নির্ধারিত তারিখে ১জন স্বাক্ষী ও জামিনদার সহ আবেদনকারী দৃষ্টিদান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ঋণ চুক্তিপত্র সম্পাদন এবং মাষ্টাররোলে স্বাক্ষর করে ঋণের টাকা গ্রহন করবেন। আবেদন করার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া সস্পন্ন করা হবে।

# ঋণ সীমা/সিলিংঃ  প্রথম দফায় নারী সদস্য সর্বোচ্চ ৫,০০০/- এবং পুরম্নষ সদস্য ১০,০০০/- টাকা ঋণ গ্রহন করতে পারবেন। ঋণের সুষ্ঠু ব্যবহার, দলীয় সভায় নিয়মিত উপস্থিতি, কিসিত্ম পরিশোধের সমেত্মাষজনক রেকর্ড এবং সদস্যের চাহিদার ভিত্তিতে পরবর্তী প্রতি দফায় ১,০০০/- টাকা করে ঋণসীমা বৃদ্ধি করা যাবে। এই ঋণ সীমা নারী সদস্য ২০,০০০/- এবং পুরম্নষ সদস্যের ক্ষত্রে ৩০,০০০/- টাকার বেশী হবে না।

# ঋণের কিস্তি আদায় প্রক্রিয়াঃ ঋণ বিতরণের কমপক্ষ ১৫ দিন পরে কিসিত্ম আদায় শুরম্ন হবে। হাজারে ২৪/-টাকা হারে ৪৫ কিসিত্ম এবং ৪৫/- হারে ১ কিসিত্ম সহ সর্বমোট সাপ্তাহিক ৪৬ কিসিত্মতে ১ বছরের মধ্যে সার্ভিস চার্জসহ ঋণের টাকা পরিশোধ যোগ্য। কোন অগ্রীম কিসিত্ম গ্রহনযোগ্য নয়, তবে বিশেষ কারনে কোন সদস্য অগ্রীম প্রদান করলে প্রতি হাজার ঋণের বিপরীতে সাপ্তাহিক ২/-টাকা হারে সার্ভিস চার্জ রিবেট প্রদান করা হবে।

# ঋণের জন্য খরচ/ফি আদায়ের হারঃ ঋণ আবেদন ফরম ও চুক্তিপত্র ৫ টাকা, ঋণ পাশবই (যদি প্রয়োজন হয়) ৫ টাকা এবং ÿুদ্রউদ্যেগ ঋণের অঙ্গীকারনামার জন্য ৫০/-(পঞ্চাশ) টাকার নন্ জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প প্রযোজ্য। সকল প্রকার ফি রশীদমূলে গ্রহন করা হবে। ঋণ প্রদানকালে কোন ফি গ্রহন করা হবে না।

# দৃষ্টিদান সঞ্চয় কর্মসূচীঃ দলে অমর্ত্মভুক্তির পর থেকে প্রত্যেক নারী সদস্য ২০/- টাকা এবং পুরম্নষ সদস্য ৩০/-টাকা হারে নিয়মিত সাপ্তাহিক সঞ্চয় জমা করবেন, যা নিয়মিত/সাধারণ সঞ্চয় নামে অভিহিত হবে। সদস্যবৃন্দ দলীয় সিদ্ধামত্ম গ্রহন করে (অভিন্ন) বর্দ্ধিত হারে সঞ্চয় জমা করতে পারবেন।

     জমাকৃত পুঞ্জিভুত সঞ্চয় দ্বারা ৮-১০ বছরের মধ্যে সদস্য যেন নিজস্ব পুঁজি/ইক্যুইটি (Equity) গঠন করতে পারে সে জন্য সদস্যকে প্রতি বছর গৃহীত ঋণের বিপরীতে বিভিন্ন হারে সঞ্চয় জমা রাখতে উৎসাহিত করা হবে, যেমন, প্রথম দফায় গৃহীত ঋণের ০%, দ্বিতীয় দফায় গৃহীত ঋণের ৫%, তৃতীয় দফায় ১০% এবং পরবর্তী সকল দফায় গৃহীত ঋণের ১৫%। এ জন্য সদস্যকে নিয়মিত সঞ্চয় ব্যতিত বাড়তি কোন সঞ্চয় জমা করতে হবে না।

# সঞ্চয় কর্মসূচীর হিসাব সংরক্ষন ব্যবস্থা ঃ সঞ্চয়ের টাকা লেনদেনের জন্য প্রত্যেক সদস্যের একটি ব্যক্তিগত পাশবই থাকবে। সংস্থার সীলমোহরযুক্ত পাশবইটিতে সদস্যের ছবি/জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি শাখা ব্যবস্থাপক কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে হবে। সঞ্চয় জমা/উত্তোলনের ক্ষত্রে সুনির্দিষ্ট তারিখ ও টাকার পরিমান লিপিবদ্ধ করে মাঠ কর্মী স্বাক্ষর করবেন। 

     

     সঞ্চয়ের পূর্বজের, জমা/উত্তোলনের পরিমান ও সমাপনী স্থিতি সম্বলিত ব্যক্তিগত পাশবই’র অনুরম্নপ প্রতিটি দলে দলীয় পাশবই পূরণ ও সংরক্ষন করা হবে। সদস্যভিত্তিক সঞ্চয় হিসাব সংরক্ষণের জন্য অফিস পর্যায়ে পৃথক সাবসিডিয়ারী লেজার ও সঞ্চয় ফেরত মাষ্টাররোল ব্যবহার করা হবে।

 

# সঞ্চয় উত্তোলন/ফেরত গ্রহনের নিয়মাবলী ঃ সঞ্চয় ফেরত আবেদন ফরমে বা মৌখিকভাবে মাঠকর্মীর মাধ্যমে সঞ্চয় ফেরতের জন্য সদস্য আবেদন করবেন। আংশিক উত্তোলনের ক্ষত্রে কমপক্ষ ১ দিন এবং সম্পূর্ন ফেরতের ক্ষত্রে ৭ (সাত) দিন পূর্বে আবেদন করতে হবে। অতঃপর অফিস চলাকালীন সময়ে ব্যক্তিগত পাশবই (লিপিবদ্ধ কল্পে) সঙ্গে এনে ফেরত মাষ্টারোলে স্বাক্ষর করে সদস্য নিজে সঞ্চয়ের টাকা গ্রহন করবেন। সম্পুর্ন সঞ্চয় ফেরত নিয়ে সদস্যপদ বাতিল করতে চাইলে আগে সংস্থার ঋণ (যদি থাকে) পরিশোধ করতে হবে।

# সঞ্চয়ের উপর সুদ প্রদানের হার ও প্রক্রিয়াঃ সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ব সুদের হার অর্থ বছরের শুরম্নতেই ঘোষনা করা হবে, এই হার ৬% এর কম হবে না। প্রত্যেক মাসের প্রারম্ভিক ও সমাপনী স্থিতির গড়ের ভিত্তিতে সুদের হিসাব নির্ণয় করা হবে।  ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সদস্যদের পাশবইতে সুদ বন্টন করা হবে। কেউ সদস্যপদ বাতিল করতে চাইলে তাকে পূর্ববর্তী মাসের সঞ্চয় স্থিতির ভিত্তিতে একই হারে সুদ প্রদান করা হবে।

# সদস্য কল্যাণ তহবিলঃ  ঋণী সদস্য/নিশ্চয়তা প্রদানকারীর মৃর্তু্যতে ঋণী পরিবারকে ঋণমুক্ত করার লক্ষ্য ‘সদস্য কল্যাণ তহবিল’ গঠন করা হয়েছে। ঋণ গ্রহিতার নিকট হতে প্রতি দফায় গৃহিত ঋণের .৫% হারে সংস্থার রশীদমূলে ‘সদস্য কল্যাণ ফি’ গ্রহন করা হবে। সদস্য ভিত্তিক কল্যাণ ফি’র ক্রমপুঞ্জি হিসাব রাখার জন্য অফিস পর্যায়ে পৃথক একটি রেজিষ্টার ব্যবহার করা হবে।

# সদস্য কল্যাণ তহবিলের সুবিধাদিঃ বকেয়া মুক্ত ঋণী সদস্য/নিশ্চয়তা প্রদানকারীর ঋণ পরিশোধের মেয়াদের মধ্যে স্বাভাবিক মৃর্তু্য ঘটলে মৃর্তু্যর দিন পর্যমত্ম তার অনাদায়ী অবশিষ্ট ঋণ কল্যাণ তহবিল হতে সম্পূর্ন মওকুফ করা হবে। শুধুমাত্র পলস্নী ক্ষুদ্র ঋণের ক্ষত্রে এই তহবিল প্রযোজ্য হবে।এ জন্য মৃত সদস্যের নমিনীকে এক মাসের মধ্যে মৃর্ত্যু সনদ ও দলীয় রেজুলেশন সমেত আবেদন করতে হবে। আবেদনটি যাচাই-বাছাই পূর্বক সর্বোচ্চ ৩ (তিন) মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ঋণ মওকুফ করা হবে। পুরম্নষ সদস্যের ক্ষত্রে নিশ্চয়তা প্রদানকারীর মৃর্ত্যুতে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। শুধুমাত্র ঋণীর মৃর্তু্য হলে এ সুবিধা প্রদান করা হবে। উভয় ক্ষত্রে সদস্যের নমিনীকে সঞ্চয়ের পুরো টাকা ফেরত দেয়া হবে।

# সদস্যদের অধিকার ঃ সঞ্চয় জমা, উত্তোলন, সঞ্চয়ের সুদ প্রাপ্তি, ঋণ গ্রহন ও সদস্য কল্যান তহবিলের সুবিধাদি ভোগ করার এবং সংস্থার সচেতনতা মূলক ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার অধিকার সদস্যদের থাকবে। তারা ৫ বছর পর্যমত্ম সঞ্চয়/ঋণ হিসাব সহ সংস্থার যে কোন তথ্য জানার অধিকারী থাকবেন। সকল লেনদেনের ক্ষত্রে সুস্পষ্ট দালিলিক প্রমান প্রাপ্তির এবং কর্মকর্তা/কর্মী সম্পর্কে অভিযোগ জানানোর অধিকার থাকবে। সদস্য কর্তৃক প্রাপ্ত অভিযোগ ২ (দুই) মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। সদস্য দৃষ্টিদান থেকে তার নাম প্রত্যাহার করার অধিকারী থাকবেন।

ছবি নাম মোবাইল
মনোরঞ্জন সরকার ০১৭১৩৭৮০৫৭০
মনোরঞ্জন রায় ০১৭৪৫৪৭৬৫৪৬
মোছা. তাহমিনা বেগম ০১৭২৯৬২৯৮৪১
ভবতোষ চন্দ্র বর্মন ০১৭৩৯২৩৪৬৯৫
রবীন্দ্রনাথ রায় ০১৭২৫৭৪২৪৬২

ছবি নাম মোবাইল
মনোরঞ্জন রায় ০১৭৪৫৪৭৬৫৪৬

ছবি নাম মোবাইল
জগদীশ চন্দ্র বর্মন

১)উপ-আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমঃ ব্র্যাকের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ১৯৯৫ খ্রীষ্টাব্দ হতে দৃষ্টিদান উপ-আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এই কার্যক্রমের আওতায় দৃষ্টিদান বর্তমানে ১০টি স্কুল পরিচালনা করছে। ০৮-১১ বছর বয়সের নিরক্ষর/ঝরেপড়া দরিদ্র শিশুরা বিদ্যালয় গুলোতে লেখাপড়া করছে। শিক্ষার্থীদের ৭০% মেয়ে শিশু। শুরম্ন থেকে এপর্যমত্ম বিভিন্ন পর্যায়ে দৃষ্টিদান পরিচালিত উপ আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর সংক্ষপ্ত তথ্য নিমেণাক্ত ছকে উপস্থাপন করা গেল ঃ

 

পর্যায়/

দফা

বিদ্যালয়ের মেয়াদ

বিদ্যালয়ের ধরণ

বিদ্যালয় সংখ্যা

ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা

কোর্স সমাপ্তকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা

মমত্মব্য

প্রথম

১৯৯৪-১৯৯৭

৩ বছর মেয়াদি

এনএফপিই তৃতীয় শ্রেণী

১০ টি

৩০০ জন

২৯২ জন

 

দ্বিতীয়

১৯৯৮-২০০০

৩ বছর মেয়াদি

১০ টি

৩০০ জন

২৯৬ জন

 

তৃতীয়

২০০৩-২০০৫

৩ বছর মেয়াদি

১০ টি

৩০০ জন

২৯৪ জন

 

চতুর্থ

২০০৩-২০০৬

৩ বছর মেয়াদি

০৫ টি

১৫০ জন

১৪৭ জন

 

পঞ্চম

২০০৪-২০০৬

৩ বছর মেয়াদি

১০ টি

৩০০ জন

২৯৩ জন

 

ষষ্ঠ

২০০৬-২০০৮

৩ বছর মেয়াদি

০৫ টি

১৫০ জন

১৪৬ জন

 

সপ্তম

২০০৯-২০১২

৪ বছর মেয়াদি

এনএফপিই পঞ্চম শ্রেণী

০৫ টি

১৫০ জন

১৪৯ জন

(এ পর্যমত্ম)

বর্তমানে ৫ম ও ৩য় শ্রেণীর ক্লাস চলছে

অষ্টম

২০১০-২০১২

৩০ মাস মেয়দি

এনএফপিই তৃতীয় শ্রেণী

০৫ টি

১৫০ জন

১৩৭ জন

(এ পর্যন্ত)

 

সর্বমোট-

-

৬০ টি

১৮০০ জন

১৭৫৪জন

 

 

২) গৃহায়ণ প্রকল্পঃ গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  ‘গৃহায়ন তহবিল’ এর অর্থায়নে পঞ্চগড় জেলার বোদা ও আটোয়ারী উপজেলাধীন ৩টি ইউনিয়নের ৯ টি গ্রামে দৃষ্টিদান এই কর্মসূচী বাসত্মবায়ন করছে। কর্মসূচীর আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠি যাদের বাড়িতে পাকা/টিনের ঘর নেই এমন ২৫টি পরিবারে ২৫টি টিনের ঘর নির্মান করা হবে। ইতোমধ্যে ১৬টি পরিবারে ১৬টি ঘরের নির্মান  কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

৩) সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ কর্মসুচীঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পলস্নী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক সহায়তায় দৃষ্টিদান পঞ্চগড় জেলার বোদা, আটোয়ারী এবং ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার মোট ১২টি ইউনিয়নের ৮২ টি গ্রামে ১৯৮৭ খ্রীষ্টাব্দ হতে সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করে আসছে। কর্মএলাকায় কর্মঠ দরিদ্র নারী-পুরম্নষ যাদের বয়স ১৮-৪৫ বছর তারা এই কর্মসূচীর প্রত্যক্ষ উপকারভোগি। কর্মসূচীর আওতায় বর্তমানে ১২৮০ জন সদস্যের ১৮,১৮,৪৮১ টাকা সঞ্চয় জমা আছে। এপর্যমত্ম ১০৫৩৮৩০০০/- টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে যার ঋণ সংখ্যা ১৯৮২৬ টি এর মধ্যে ১০০১৮৯৪২৮/- টাকা কিস্তি বাবদ আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে ১০৪১ জন সদস্যের মাঝে ৫১৯৩৫৭২/- টাকা ঋণ স্থিতি রয়েছে।

অফিসের ঠিকানা ঃ

দৃষ্টিদান সংস্থা

থানাপাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন ঃ ০২-০৫৬৫৩-৫৬২০৫

মোবাইল ঃ ০১৭৪৫৪৭৬৫৪৬

ই-মেইল ঃ drishtidanboda@yahoo.com



Share with :

Facebook Twitter