মেনু নির্বাচন করুন

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ইতিহাসের কাছে ১৫/১৬ বছর একটি বিন্দুসম কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের কাছে এই সময়ের পরিবর্তন একটি বড় ব্যাপার । মাত্র ১৪/১৫ বছর আগেও পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মেয়েরা উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যেনিজের এলাকা ছেড়ে দুর দুরান্তে পড়তে যেত। এতে করে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও অভিভাবকদের তাদের মেয়েদের নিয়ে নানারকম দুশ্চিমত্মায় পড়তে হতো। প্রায়ই দেখা যেত ইচ্ছে থাকলেও মেধাবী ছাত্রীরা অভিভাবকদের আর্থিক দূরবস্থা এবং সামাজিক প্রতিকুলতার জন্য দ্বারপ্রামেত্ম যেতে পারতো না। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষানুরাগী জনাব আব্দুর রউফ এ বিষয়টি মাথায় রেখে সর্বপ্রথম এ এলাকায় মেয়েদের জন্য আলাদা একটি মহাবিদ্যালয় স্থাপন করার কথা চিমত্মা করেন। তিনি অত্র এলাকার একটি সভা আহবান করেন এবং উক্ত সভায় ২২ সদস্য বিশিষ্ট ‘‘বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয় ’’ বাসত্মবায়ন কমিটি গঠন করেন যার সভাপতি থাকে সর্বসম্মতিক্রমে রউফ সাহেব নিজেই।

শুরম্ন হয় মহাবিদ্যালয়  বাসত্মবায়ন কমিটির কাজ। এর জন্য জমির প্রয়োজন সবার প্রথমে । সে লক্ষ্যেমরহুম হায়দার আলীর নামে যে ঝিনাইকুঁড়ি খালটি ছিল সেটা মহাবিদ্যালয়ের নামে কবলা করে নেয়া হয়। খালটি ছিল প্রায় দেড় একর, । এই দেড় একর জমির উপর কলেজ দেখিয়ে বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে তাদের নির্দেশনা নিয়ে ১৯৯৬ সালের ফেব্রম্নয়ারী মাসে বোর্ড ফি দিয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড ছাত্রী ভর্তি এবং কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারী বিধি মোতাবেক কলেজের প্রভাষক কর্মচারী ও অন্যান্য পদের নিয়োগ দানের অনুমতি দেয়। ১৯৯৬ সালের জুলাই মাসে মানবিক, বানিজ্য ও বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরম্ন হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ‘র দায়িত্বে ছিলেন পাথরাজ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জনাব রফিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনিই পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

এই সময়ে মহাবিদ্যালয়টি কোন অবকাঠামো না থাকায় কিছু সংখ্যক ছাত্রী নিয়ে বোদা পাইলট বালিকা  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এর শিক্ষাকার্যক্রম শুরম্ন হয়। ভবন নির্মানের বিষয়টি মাথায়  রেখে বাসত্মবায়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ যান মরহুম শহিদুল ইসলামের কাছে। সকলের অনুরোধ উপেক্ষাকরতে না পেরে মহাবিদ্যালয়কে তিন বিঘা জমি দান করেন। এ জায়গায় প্রশাসনিক ভবন সহ কয়েকটি শ্রেনীকক্ষনির্মিত হয়। এ বৎসরের মধ্যেই মহাবিদ্যালয়টি নিজস্ব জায়গায় স্থানামত্মরিত হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশেএ সময়েই মহাবিদ্যালয়কে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাসত্মবায়ন কমিটি ভেঙ্গে জনাব আঃ রউফকে  সভাপতি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করা হয়।

এডহক কমিটির সভাপতি আঃ রউফ এর প্রচেষ্টার এবং তৎকালিন জেলা প্রশাসকের পরামর্শে মহাবিদ্যালয়ের সংলগ্ন দেড় একর খাস জমি  ভুমি মন্ত্রনালয়ের অনুমতিক্রমে মহিলা মহাবিদ্যালয়ের নামে সুলভ মূল্যে ক্রয় করা হয়।

১৯৯৮ সালের শেষদিকে বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরম্নল ইসলাম সুজনের প্রচেষ্টায় তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বোদা সফরকালে এ অঞ্চলের যে উন্নয়নের প্রতিশ্রম্নতি দেন তারই ফলস্বরূপ মহাবিদ্যালয়ের বর্তমান দ্বিতল বিজ্ঞান ভবন। ২০০০ সাল নাগাদ এর নির্মান কাজ শেষ হয়। ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরম্নল ইসলাম সুজনের প্রচেষ্টায় মহাবিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। ২০০৩ সালে মহাবিদ্যালয়টিতে সণাতক শ্রেণী জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনের আবেদন করা হলে তা ২০০৪-২০০৫ শিক্ষা বর্ষ হতে চালুর অনুমতি লাভ করে। ২০০৮ সালে মহাবিদ্যালয়েটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপিত হয় এবং সফলতার সাথে তা আজ অবধি চালু রয়েছে । ২০১০ সালের ১৭ই নভেম্বর রাত ৮ ঘটিকায় মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষজনাব রফিকুল ইসলাম আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর গভর্নিং বডি সভা আহবান করে সর্বসম্মতিক্রমে শিক্ষকদের মধ্য থেকে জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে জনাব আশরাফুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষেরদায়িত্ব প্রদান করেন। অদ্যবধি নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি তার দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

২০১১-১২ শিক্ষা বর্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এইচ, এস, সি (বিএম) শাখা চালু ও ছাত্রী ভর্তির অনুমতি লাভ করে মহাবিদ্যালয়টি। ২০১১ সালে মহাবিদ্যালয়টিতে সেই সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ার লক্ষ্যেএকটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ছাত্রীদের শিক্ষাদান শুরুহয় । ২০১২সালে মহাবিদ্যালয়ের শহীদ মিনারসহ উম্মুক্ত মঞ্চ ও ছাত্রীদের খেলাধুলার জন্য ছাত্রী কমনরম্নম নির্মিত হয় ।

লাইব্রেরী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য নির্ণীত হয় তার শিক্ষার্থীদের সার্থক ভুমিকা পালনে । প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি এ মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন  বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষিবিশ্ববিদ্যালয় ও চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে পড়াশুনা যেমন চালিযে যাচ্ছে তেমনি এখান থেকে শিক্ষাঅর্জন করে বিভিন্ন পেশায় আত্মনিয়োগ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছে।

যাদের অক্লামত্ম প্ররিশ্রম, তা্যাগ, আমত্মরিকতা ও সহানুভুতির বিনিময়ে অত্র এলাকার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন নারী  জাগরণের ‘‘বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়’’ বাসত্মব রূপ নেয়, সেই সাথে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার পথ উন্মোচিত হয় তাদের সকলে প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

ইতিহাসের কাছে ১৫/১৬ বছর একটি বিন্দুসম কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের কাছে এই সময়ের পরিবর্তন একটি বড় ব্যাপার । মাত্র ১৪/১৫ বছর আগেও পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মেয়েরা উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যেনিজের এলাকা ছেড়ে দুর দুরান্তে পড়তে যেত। এতে করে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও অভিভাবকদের তাদের মেয়েদের নিয়ে নানারকম দুশ্চিমত্মায় পড়তে হতো। প্রায়ই দেখা যেত ইচ্ছে থাকলেও মেধাবী ছাত্রীরা অভিভাবকদের আর্থিক দূরবস্থা এবং সামাজিক প্রতিকুলতার জন্য দ্বারপ্রামেত্ম যেতে পারতো না। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষানুরাগী জনাব আব্দুর রউফ এ বিষয়টি মাথায় রেখে সর্বপ্রথম এ এলাকায় মেয়েদের জন্য আলাদা একটি মহাবিদ্যালয় স্থাপন করার কথা চিমত্মা করেন। তিনি অত্র এলাকার একটি সভা আহবান করেন এবং উক্ত সভায় ২২ সদস্য বিশিষ্ট ‘‘বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয় ’’ বাসত্মবায়ন কমিটি গঠন করেন যার সভাপতি থাকে সর্বসম্মতিক্রমে রউফ সাহেব নিজেই।

শুরম্ন হয় মহাবিদ্যালয়  বাসত্মবায়ন কমিটির কাজ। এর জন্য জমির প্রয়োজন সবার প্রথমে । সে লক্ষ্যেমরহুম হায়দার আলীর নামে যে ঝিনাইকুঁড়ি খালটি ছিল সেটা মহাবিদ্যালয়ের নামে কবলা করে নেয়া হয়। খালটি ছিল প্রায় দেড় একর, । এই দেড় একর জমির উপর কলেজ দেখিয়ে বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে তাদের নির্দেশনা নিয়ে ১৯৯৬ সালের ফেব্রম্নয়ারী মাসে বোর্ড ফি দিয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড ছাত্রী ভর্তি এবং কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারী বিধি মোতাবেক কলেজের প্রভাষক কর্মচারী ও অন্যান্য পদের নিয়োগ দানের অনুমতি দেয়। ১৯৯৬ সালের জুলাই মাসে মানবিক, বানিজ্য ও বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরম্ন হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ‘র দায়িত্বে ছিলেন পাথরাজ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জনাব রফিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনিই পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

এই সময়ে মহাবিদ্যালয়টি কোন অবকাঠামো না থাকায় কিছু সংখ্যক ছাত্রী নিয়ে বোদা পাইলট বালিকা  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এর শিক্ষাকার্যক্রম শুরম্ন হয়। ভবন নির্মানের বিষয়টি মাথায়  রেখে বাসত্মবায়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ যান মরহুম শহিদুল ইসলামের কাছে। সকলের অনুরোধ উপেক্ষাকরতে না পেরে মহাবিদ্যালয়কে তিন বিঘা জমি দান করেন। এ জায়গায় প্রশাসনিক ভবন সহ কয়েকটি শ্রেনীকক্ষনির্মিত হয়। এ বৎসরের মধ্যেই মহাবিদ্যালয়টি নিজস্ব জায়গায় স্থানামত্মরিত হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশেএ সময়েই মহাবিদ্যালয়কে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাসত্মবায়ন কমিটি ভেঙ্গে জনাব আঃ রউফকে  সভাপতি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করা হয়।

এডহক কমিটির সভাপতি আঃ রউফ এর প্রচেষ্টার এবং তৎকালিন জেলা প্রশাসকের পরামর্শে মহাবিদ্যালয়ের সংলগ্ন দেড় একর খাস জমি  ভুমি মন্ত্রনালয়ের অনুমতিক্রমে মহিলা মহাবিদ্যালয়ের নামে সুলভ মূল্যে ক্রয় করা হয়।

১৯৯৮ সালের শেষদিকে বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরম্নল ইসলাম সুজনের প্রচেষ্টায় তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বোদা সফরকালে এ অঞ্চলের যে উন্নয়নের প্রতিশ্রম্নতি দেন তারই ফলস্বরূপ মহাবিদ্যালয়ের বর্তমান দ্বিতল বিজ্ঞান ভবন। ২০০০ সাল নাগাদ এর নির্মান কাজ শেষ হয়। ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরম্নল ইসলাম সুজনের প্রচেষ্টায় মহাবিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। ২০০৩ সালে মহাবিদ্যালয়টিতে সণাতক শ্রেণী জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনের আবেদন করা হলে তা ২০০৪-২০০৫ শিক্ষা বর্ষ হতে চালুর অনুমতি লাভ করে। ২০০৮ সালে মহাবিদ্যালয়েটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপিত হয় এবং সফলতার সাথে তা আজ অবধি চালু রয়েছে । ২০১০ সালের ১৭ই নভেম্বর রাত ৮ ঘটিকায় মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষজনাব রফিকুল ইসলাম আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর গভর্নিং বডি সভা আহবান করে সর্বসম্মতিক্রমে শিক্ষকদের মধ্য থেকে জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে জনাব আশরাফুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষেরদায়িত্ব প্রদান করেন। অদ্যবধি নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি তার দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

২০১১-১২ শিক্ষা বর্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এইচ, এস, সি (বিএম) শাখা চালু ও ছাত্রী ভর্তির অনুমতি লাভ করে মহাবিদ্যালয়টি। ২০১১ সালে মহাবিদ্যালয়টিতে সেই সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ার লক্ষ্যেএকটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ছাত্রীদের শিক্ষাদান শুরুহয় । ২০১২সালে মহাবিদ্যালয়ের শহীদ মিনারসহ উম্মুক্ত মঞ্চ ও ছাত্রীদের খেলাধুলার জন্য ছাত্রী কমনরম্নম নির্মিত হয় ।

লাইব্রেরী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য নির্ণীত হয় তার শিক্ষার্থীদের সার্থক ভুমিকা পালনে । প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি এ মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন  বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষিবিশ্ববিদ্যালয় ও চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে পড়াশুনা যেমন চালিযে যাচ্ছে তেমনি এখান থেকে শিক্ষাঅর্জন করে বিভিন্ন পেশায় আত্মনিয়োগ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছে।

যাদের অক্লামত্ম প্ররিশ্রম, তা্যাগ, আমত্মরিকতা ও সহানুভুতির বিনিময়ে অত্র এলাকার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন নারী  জাগরণের ‘‘বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়’’ বাসত্মব রূপ নেয়, সেই সাথে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার পথ উন্মোচিত হয় তাদের সকলে প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

গভর্নিং বডি

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়

বোদা, পঞ্চগড়।

 

 

নাম

মোঃ আব্দুর রউফ

পিতার নাম

মৃতঃ আব্দুর রশিদ

পদবী

সভাপতি, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নয়।

মোবাইল নম্বর

০১৭৪০২২৭৭২১

জন্ম তারিখ

৩১/০১/১৯৪০

স্থায়ী ঠিকানা

শিপাহী পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোঃ আজাহার আলী

পিতার নাম

মৃতঃ আব্দুস সোহবান 

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নহে

মোবাইল নম্বর

০১৭১২৬০৮১৯৬

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

 

স্থায়ী ঠিকানা

শিপাহী পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

সৈয়দ আব্দুল মান্নান

পিতার নাম

 

পদবী

সদস্য, গভর্নিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজন্য নয়।

মোবাইল নম্বর

০১৭৩৭৭৭২৫৪০

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

০১/১২/১৯৫৯

স্থায়ী ঠিকানা

জমাদার পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোঃ মোকলেছার রহমান জিলস্নুর

পিতার নাম

মৃতঃ কফিলুর রহমান

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নয়।

মোবাইল নম্বর

০১৮২৩১৮৮৬৯৫

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

১৩/০৮/১৯৬৮

স্থায়ী ঠিকানা

ভাসাই নগর, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোঃ আব্দুল মান্নান

পিতার নাম

মৃতঃ পবার উদ্দিন আহম্মদ

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নহে

মোবাইল নম্বর

০১৭৩৭৫২৯৫০৯

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

৩১/১২/১৯৫৫

স্থায়ী ঠিকানা

সরকার পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোঃ শহিদুল ইসলাম

পিতার নাম

মৃতঃ আমিজ উদ্দিন আহম্মেদ

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নহে

মোবাইল নম্বর

০১৭২১৪২৭৮১৮

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

২৮/১২/১৯৬৮

স্থায়ী ঠিকানা

তিতো পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোঃ আব্দুল মান্নান

পিতার নাম

মৃতঃ জহির উদ্দিন

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নহে

মোবাইল নম্বর

০১৭২৫৬৭৬৫৬৫

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

১২/০২/১৯৬৮

স্থায়ী ঠিকানা

প্রামানিক পাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

নাম

মোছাঃ জলি মনিরা আক্তার

স্বামীর নাম

মোঃ আমির হোসেন

পদবী

সদস্য, গভনিং বডি, বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ছবি

অফিসের ঠিকানা

বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

টেলিফোন নম্বর

প্রযোজ্য নহে

মোবাইল নম্বর

০১৭১৭২৮৮২৫৭

ফ্যাক্স

প্রযোজ্য নহে

জন্ম তারিখ

০৩/০৪/১৯৬৫

স্থায়ী ঠিকানা

থনাপাড়া, বোদা, পঞ্চগড়।

নিজ জেলা

পঞ্চগড়।

0



Share with :

Facebook Twitter