কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ এ ১১:২৪ AM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশের সমতল ভূমিতে প্রথম চা চাষের সফল সম্প্রসারণ এবং দেশের একমাত্র অর্গানিক বা জৈব চা উৎপাদনের জন্য পঞ্চগড় জেলা বিশেষ অর্জন ও পরিচিতি লাভ করেছে। এছাড়া হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থিত এই জেলাটি পাথর শিল্প, পর্যটন এবং সমতল চা অর্থনীতির এক অনন্য রোল মডেল।
কৃষি ও অর্থনীতি
সমতলে চা চাষ: সিলেটের বাইরে বাংলাদেশের সমতলে প্রথম পঞ্চগড়েই বাণিজ্যিকভিত্তিতে চা চাষ শুরু হয়। বর্তমানে এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা অঞ্চল।
অর্গানিক চা: এখানে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত অর্গানিক চা বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
পাথর ও ঝুড়ি শিল্প: মহানন্দা ও অন্যান্য নদী থেকে সংগৃহীত পাথর এবং ক্রাশিং শিল্প জেলার অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে।
পঞ্চগড় জেলায় ক্রিকেট খেলা ও ফুটবল বেশি জনপ্রিয়। পঞ্চগড়ের কৃতি প্রমিলা ফুটবলারদের মধ্যে সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ের নায়িকা ও সেরা গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম এবং জাতীয় নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক ফেরদৌসি আক্তার সোনালী অন্যতম। তাঁরা তাঁদের অসাধারণ নৈপুণ্য ও সংগ্রামের মাধ্যমে পঞ্চগড় তথা পুরো দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এর খেলোয়াড় শরিফুল ইসলাম পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বাংলাদেশ প্রমিলা ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা পঞ্চগড় সদর উপজেলার মিরগড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। এ ছাড়াও আঞ্চলিকভাবে হা-ডু-ডু, গোল্লাছুট, বউ ছি, লুকোচুরি খেলা হয়।